কোটা আন্দোলনের নেতা রাশেদ গ্রেফতার

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের অন্যতম নেতা রাশেদ খানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ছাত্রলীগের নেতা আল নাহিয়ান খান জয়ের দায়ের করা মামলায় রাশেদকে গ্রেফতার করা হয়। শাহবাগ থানায়  আইসিটি আইনের ৫৭ ধারায় রাশেদের বিরুদ্ধে মামলা হয়।

এর আগে রাশেদের আত্মীয় ও বন্ধুরা অভিযোগ করেন, রোববার (১ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাশেদকে ধরে নিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় রাশেদের সঙ্গে থাকা মাহফুজ খান নামের অপর একজনকেও ধরে নিয়ে যাওয়া হয় বলে তাঁদের অভিযোগ।

পরে বেলা দেড়টার দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার উপপুলিশ কমিশনার মাসুদুর রহমান জানান, রাশেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রাশেদের বন্ধু দীন ইয়ামিন বলেন, রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি, রাশেদ ও মাহফুজ ভাষানটেকের মজুমদার মোড়ে রাশেদের আত্মীয়ের বাসার সামনে ছিলেন। এ সময় পুলিশের পোশাক পরে ও সাদাপোশাকে কয়েকজন তাঁদের সামনে আসেন এবং তাঁদের পরিচয় জিজ্ঞাসা করতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁদের গতিবিধি সন্দেহ হলে রাশেদ পাশের বাসার ছাদে আশ্রয় নেন। এ সময় সেখান থেকে তাঁকে খুঁজে বের করে আটক করা হয়।

দীন ইয়ামিন বলেন, রাশেদের সঙ্গে থাকা মাহফুজ খানকেও নিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে সকালে ফেইসবুক লাইভে এসে গোয়েন্দা পুলিশ তার পিছু নিয়েছে বলে জানান তিনি। এই সময় তাকে বলতে শোনা যায়, “ভাসানটেক মজুমদারের মোড় এলাকায় ডিবি আমাকে ধাওয়া দিয়েছে। আমি একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছি। সবাই আমাকে বাঁচান।”

বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ ব্যানারে কয়েক মাস ধরে আন্দোলন করে আসছে একদল শিক্ষার্থী। তাদের আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রী কোটা বাতিলের ‘ঘোষণা’ দিলেও সরকারি প্রজ্ঞাপন না আসা পর্যন্ত নানা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ।
শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করতে গিয়ে পিটুনির শিকার হন কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা। ক্যাম্পাসের গ্রন্থাগারের সামনে এই হামলার জন্য ছাত্রলীগকে দায়ী করেছেন তারা; হামলার সময় সংগঠনটির কয়েকজন নেতাকে ঘটনাস্থলে দেখা গেছে।
তবে হামলায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে সরকার সমর্থক সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, আন্দোলনকারীদের ‘অভ্যন্তরীণ কোন্দলে’ হামলার ঘটনা ঘটেছে।এর আগে সকালে ফেইসবুক লাইভে এসে গোয়েন্দা পুলিশ তার পিছু নিয়েছে বলে জানান তিনি। এই সময় তাকে বলতে শোনা যায়, “ভাসানটেক মজুমদারের মোড় এলাকায় ডিবি আমাকে ধাওয়া দিয়েছে। আমি একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছি। সবাই আমাকে বাঁচান।”
বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ ব্যানারে কয়েক মাস ধরে আন্দোলন করে আসছে একদল শিক্ষার্থী। তাদের আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রী কোটা বাতিলের ‘ঘোষণা’ দিলেও সরকারি প্রজ্ঞাপন না আসা পর্যন্ত নানা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ।
শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করতে গিয়ে পিটুনির শিকার হন কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা। ক্যাম্পাসের গ্রন্থাগারের সামনে এই হামলার জন্য ছাত্রলীগকে দায়ী করেছেন তারা; হামলার সময় সংগঠনটির কয়েকজন নেতাকে ঘটনাস্থলে দেখা গেছে।
তবে হামলায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে সরকার সমর্থক সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, আন্দোলনকারীদের ‘অভ্যন্তরীণ কোন্দলে’ হামলার ঘটনা ঘটেছে।
আপনার মন্তব্য করুন...